সমস্ত দ্বন্দ্ব ভুলে,প্রয়োজনের তাগিদেই আজ দেশের জন্য সফল “জনতার কার্ফু”

9

অত্যন্ত কর্মচঞ্চল ব্যক্তিও গতকাল পর্যন্ত দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন অন্যান্য বন্ধের মতন পালন করবেন জনতার কারফিউ। গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে মাঝরাত পর্যন্ত চললো একনাগাড়ে বৃষ্টি, ঘুম না আসা রাত পর্যন্ত অনেকেই ভেবেছিলেন কাল কি করবো? অবশেষে তাইতো আজ সকালে এক ঐক্যবদ্ধ আত্মোপলব্ধি সিদ্ধান্তের ফল দেখলো সংবাদমাধ্যমও । চাক্ষুষ দেখার প্রশ্নই ওঠে না, শতকরা 99%(শতাংশ) মানুষ-ই নিজেদের গৃহবন্দী করে রেখেছেন একপ্রকার নিরুপায় হয়েই। শাসক দলের ভয়ে নয়,বিরোধীদলের বিরোধিতায় নয় , বিজ্ঞান কুসংস্কার এর যুক্তিতে নয়, মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিতর্কে নয় , চরম বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে শত্রু মিত্র, ধনী-দরিদ্র , জাতিভেদ ভুলে সকলেই আত্মোপলব্ধির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।জেলার বিভিন্ন, জলপথে লঞ্চ ,নৌকা ফেরিঘাটের বন্ধ পারাপার। গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, শান্তিপুর, চাকদহ সহ বিভিন্ন বাস টার্মিনাল থেকে হাতে গোনা দু’একটি বাস ছাড়া চলেনি কোন বাস। অন্যান্য বন্ধের ক্ষেত্রে দোকান বাজার নির্ধারিত জায়গায় না বসলেও খানিকটা দূরেও লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু আজকের ছবিটা সম্পূর্ণ ভিন্ন, কোথাও ক্যামেরায় ধরা পড়েনি ন্যূনতম দু-একটির বেশি সবজির দোকান। এদিন তবে হাসপাতালে পরিষেবা পাবার জন্য অপেক্ষারত জনগণের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর , শান্তিপুর ,গেদে, কল্যাণী গামী দুএকটি ট্রেন বাদে চলছে কিছু লোকাল ট্রেন। কিন্তু তাতে শুধুমাত্র জনাকয়েক বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে, বাকি কিছু চিকিৎসা জনিত কারণেই যাত্রী হিসেবে, পুরো 12 বগীর ট্রেনে সর্বসাকুল্যে জনাচল্লিশেক। সকালে দুধের গাড়ি,খবরের কাগজের গাড়ি শহরে প্রবেশ করলেও দেখা মিললো না ক্রেতাদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here