“করোনা”র আতঙ্কে রং ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

14

করোনার রেশ আজ হোলির বাজারেও, মন্দা ব্যবসায় মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের l প্রতিবারই হোলির প্রায় দিন দশেক আগে থেকেই আট থেকে আশি সকলেই নানা পরিকল্পনা করেন কী কী রঙ কিনবেন, কোন রঙ মাখিয়ে বন্ধুদের ভূত বানিয়ে দেবেন, এ ধরণের নানা মজার পরিকল্পনা আগে থেকেই ঠিক করতেন l কারন বছরের এই একটা দিন সমস্ত গ্লানি,অন্ধকার দূরে সরিয়ে রেখে সকলেই হোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলেন । কিন্তু এবছর ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারন মানুষ সকলেরই মুখ ভার। কারন অবশ্য একটাই”করোনা” l
হরেক রকমের আবির, রং আর পিচকারি থেকে শুরু করে বেলুন সব সাজিয়ে দোলের দশ-বারো দিন আগেই থেকেই ফুটপাথের ধারে অস্থায়ী দোকান সাজিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু, এ বছর বদলে গিয়েছে সেই চেনা ছবিটা। সারি সারি দোকান, রং-বে-রঙের পসরা সবই আছে, কিন্তু নেই ক্রেতা । কারন “করোনা” মানুষকে এতটাই আতঙ্কিত করেছে যে, এবারের দোলে মানুষ রঙ কিনতেই ভুলে গেছে। এমনকী দু’একজন ক্ষুদে বাচ্চা যদিও বা রঙ কেনার বায়না ধরে, তবে মা বাবা হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন শুধু মাত্র লোকালে তৈরী হাওয়া আবির। জুটছে না পিচকারি টুকুও । কারন তাদের মতে অধিকাংশ পিচকারির মধ্যেও লেখা মেড ইন চায়না। অবশ্য বড়োরাও এবার লোকাল আবিরের গন্ডি পেরোতে চাইছেন না l অনেকটা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতো অবস্থা। এদিকে তাদের এই রঙ বিমুখ হওয়ার জেরে মাথায় হাত রং ব্যবসায়ীদের। তারা একে অপরের দিকে তাকিয়ে বেজার মুখে বসে রয়েছেন। কী আর করা যাবে? তবুও লাভের মুখ দেখতে দোকান খুলে বসে রয়েছেন রং ব্যবসায়ীরা। তবে কিছু রঙ ব্যবসায়ীরা জানান যে, দোল খেলার সরঞ্জামের অধিকাংশটাই ইদানীং চিন থেকে আসায় মানুষের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে, কারণ “করোনা ভাইরাসের” প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে l এ বারের রং বিক্রি দেখেই তা তারা বুঝতে পারছেন l

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here