শিবরাত্রি তিথিতে অসংখ্য মানুষের সমাগম শান্তিপুরের জলেশ্বর মন্দিরে

36

কথিত আছে, আজ থেকে প্রায় 350 বছর আগে প্রচন্ড খরায় যখন শান্তিপুরের মানুষ নাজেহাল ঠিক সেই সময় ওই এলাকার ভক্তবৃন্দের মনস্কামনা পূর্ণ করে অঝোর ধারায় ঝরেছিল বৃষ্টি।আর সেই থেকেই সৃষ্টি “জলেশ্বর”।মহা শিবরাত্রি তিথিতে অসংখ্য মানুষের সমাগম হয় নদীয়ার সবথেকে প্রাচীন জলেশ্বর মন্দিরে l জানা যায়, নদীয়ার শান্তিপুরের জলেশ্বর তেলিপাড়ার শিব মন্দির নদীয়া রাজ রুদ্র রায়ের কনিষ্ঠপুত্র রামকৃষ্ণের জননী প্রায় আঠারো শতকের মাঝামাঝি এটি প্রতিষ্ঠিত করেন বলে প্রচারিত l এই মন্দিরের শিবলিঙ্গটির উচ্চতা প্রায় তিন ফুট l চড়ক নীল উৎসব শিবরাত্রি ইত্যাদি তিথি গুলিতে প্রচুর ভক্তদের সমাগম হয় এই জলেশ্বর মন্দিরে। মন্দিরটির গায়ে বহু পুরনো পোড়ামাটির মূর্তি ও অন্যান্য অলংকার সজ্জিত প্রাচীন এই মূর্তি বিষয়বস্তু পৌরাণিক যথা কৃষ্ণ লীলা, ভীষ্মের শরশয্যা,মারিচ, গরুর বাহন,তীরন্দাজ,হরগৌরী,যুদ্ধক্ষেত্র,বন্দুক নিয়ে সেপাই ইত্যাদির নিদর্শন মন্দিরের গায়ে l আজ শিবরাত্রির তিথিতে কয়েক হাজার মানুষের ভিড় ছিল এই মন্দিরে l উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য l ভক্তদের পাশাপাশি নিজেও প্রদীপ জ্বালান মন্দির প্রাঙ্গনে l তিনি এও জানান বিধায়ক হওয়ার পরেই প্রত্যেক বছরই এই পূর্ণ শিবরাত্রি তিথিতে এই জলেশ্বর মন্দিরে আসেন পূজো দিতে l

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here